দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তথ্য বিনিময় ও প্রক্রিয়াগত ঘাটতি ছিল বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, বিষয়টি দুঃখজনক। কোথায় ঘাটতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুই দেশ সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের এবং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভালো ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ ও সৌদি আরব জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ। দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তথ্য বিনিময়ে ঘাটতি ছিল বলে মনে হচ্ছে। কেন এই ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা জানতে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা অপরাধের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক। পবিত্র মক্কায় যাওয়ার উদ্দেশ্য সাধারণত ধর্মীয় ও পবিত্র। সেখানে গিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রায় কার্যকর হয়ে যাওয়ায় এখন ক্ষতিপূরণের সুযোগ নেই। বরং কোন পর্যায়ে ঘাটতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দুই বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করার বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, গণমাধ্যমে তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য এসেছে। অন্য কোনো দেশের নাগরিক বাংলাদেশে অপরাধে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট দেশকে অবহিত করা হয় এবং ওই ব্যক্তি কনস্যুলার সেবা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সৌদি আরবের নিজস্ব আইন রয়েছে এবং দেশটিতে যাঁরা যান, তাঁদের সেই আইন মেনে চলতে হয়। অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে স্থানীয় আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে।
এদিকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কনস্যুলার সংলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, সংলাপে দুই পক্ষের আগ্রহের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
এমএস/